ভূমিকাঃ ভূগােল শাস্ত্রের সুদীর্ঘ ইতিহাসের আদি পর্ব থেকে মানবিক ভূগােলের সূচনা লক্ষ করা যায়। প্রাচীন যুগ, মধ্যযুগ, এবং আধুনিক যুগের ভূগােলবিদগণ রাজনীতি, সমাজ, জাতি, স্থান জনসংখ্যা, শহর, জনপদ ও সামাজিক বিবর্তন প্রভৃতি সম্পর্কে অবদান রাখতে গিয়ে মানবীয় ভূগােলের উৎপত্তি ঘটে।
মানবীয় ভূগােলের আলোচ্য বিষয়ঃ ভূগােলের ধ্রুপদী যুগে দ্বিবিভাজনের সৃষ্টি থেকে মানবীয় ভূগােলের অস্তিত্ব গড়ে উঠেছে। অধিকন্তু, মানবীয় ভূগােল নিম্নে লিখিত বিষয়গুলাে আলােচনা করে-
- মানবগােষ্ঠীর অবস্থানিক বিন্যাস ও বন্টন প্রকৃতি।
- জনসংখ্যার জৈবিক ও সামাজিক কাঠামাে।
- মানব সম্প্রদায়ের অভিগমন ও অভিবাসন এবং গঠন বিন্যাস।
- মানুষ ও পরিবেশের পারস্পরিক সম্পর্ক।
- যােগাযােগ, পরিবহণ ও ব্যবসা-বাণিজ্য।
- উৎপাদন ও উপজীবিকা।
- আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, শ্রম, স্থান সংকুলান ও সমস্যা প্রভৃতি।
- জনবসতি, ঘরবাড়ির ধরন, জনপদের ধরন, শ্রেণীবিভাগ এবং জনপদ পরিকল্পনা প্রভৃতি।
পরিশেষঃ মোটকথা, মানুষ তার নিজের প্রয়ােজনে প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান দ্বারা প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষ ভাবে যে সমাজীয় এবং রাষ্ট্রীয় অবকাঠামাে গড়ে তােলে, সে সম্পর্কে আলােচনা করা মানবীয় ভূগােলের মূল বৈশিষ্ট্য।

إرسال تعليق