প্রশ্ন–৮ : লর্ডসভার সংস্কার সাধনের প্রস্তাবসমূহ আলোচনা কর।
ভূমিকা : গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ব্রিটেনে বহু রাজনৈতিক দলের অস্তিত্ব রয়েছে। এসব রাজনৈতিক দল লর্ডসভার প্রশ্নে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মতামত প্রদান করেছে। ব্রিটেনের রক্ষণশীল দল লর্ডসভাকে অপরিবর্তিত রাখার পক্ষপাতী হলেও বামপন্থী দলগুলো এর বিলোপের পক্ষে। আবার মধ্যপন্থীরা এটিকে সংস্কার করে দ্বিতীয় কক্ষ হিসেবে রাখার পক্ষে মত দেন। এ ধরনের পরস্পরবিরোধী মতের কারণে লর্ডসভার সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা প্রস্তাব উত্থাপিত হয়েছে।
লর্ডসভার সংস্কার সাধনের প্রস্তাব: নিম্নে লর্ডসভার সংস্কার সাধনের উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবসমূহ আলোচনা করা হলো—
ক. লর্ড রাসেল, লর্ড রোজবেরি এবং লর্ড সলসবেরির সংস্কার প্রস্তাব
১৮৬৯ সালে লর্ড রাসেল লর্ডসভায় সংস্কারের লক্ষ্যে একটি বিল উত্থাপন করেন। এতে প্রস্তাব করা হয় যে, রানীর হাতে প্রতি বছর চারজন আজীবন (Life Peer) পিয়ার নিয়োগের ক্ষমতা ন্যস্ত করা হবে। কিন্তু তাঁর এ প্রস্তাব গৃহীত হয়নি।
পরবর্তীতে ১৮৭৪ সালে লর্ড রোজবেরি এবং ১৮৮৮ সালে লর্ড সলসবেরি লর্ডসভার সংস্কার সম্পর্কে কয়েকটি সুপারিশ করেন। কিন্তু সেগুলোও গৃহীত হয়নি। ফলে ১৯০৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত লর্ডসভা সংস্কারের কোনো প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি।
১৮৬৯ সালে লর্ড রাসেল লর্ডসভায় সংস্কারের লক্ষ্যে একটি বিল উত্থাপন করেন। এতে প্রস্তাব করা হয় যে, রানীর হাতে প্রতি বছর চারজন আজীবন (Life Peer) পিয়ার নিয়োগের ক্ষমতা ন্যস্ত করা হবে। কিন্তু তাঁর এ প্রস্তাব গৃহীত হয়নি।
পরবর্তীতে ১৮৭৪ সালে লর্ড রোজবেরি এবং ১৮৮৮ সালে লর্ড সলসবেরি লর্ডসভার সংস্কার সম্পর্কে কয়েকটি সুপারিশ করেন। কিন্তু সেগুলোও গৃহীত হয়নি। ফলে ১৯০৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত লর্ডসভা সংস্কারের কোনো প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি।
খ. সিলেক্ট কমিটির সুপারিশ
১৯০৭ সালে লর্ডসভা একটি Select Committee গঠন করে। এ কমিটির অন্যতম দায়িত্ব ছিল লর্ডসভা সম্পর্কে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করা এবং এর কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য সুপারিশ প্রদান করা।
কমিটির উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলো ছিল—
১. রাজবংশোদ্ভূত পিয়ারদের দ্বারা লর্ডসভা গঠিত হবে।
২. বংশানুক্রমিক পিয়ারদের মাধ্যমে নির্বাচিত ২০০ জন প্রতিনিধি থাকবে।
৩. বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন উত্তরাধিকারসূত্রে উপাধিপ্রাপ্ত কয়েকজন পিয়ার অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
৪. ধর্মীয়, আজীবন মেয়াদি পিয়ার এবং আপিল লর্ডদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কিন্তু কমিটির সুপারিশ নিয়ে লর্ডসভা ও কমন্সসভার মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় এ সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি।
১৯০৭ সালে লর্ডসভা একটি Select Committee গঠন করে। এ কমিটির অন্যতম দায়িত্ব ছিল লর্ডসভা সম্পর্কে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করা এবং এর কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য সুপারিশ প্রদান করা।
কমিটির উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলো ছিল—
১. রাজবংশোদ্ভূত পিয়ারদের দ্বারা লর্ডসভা গঠিত হবে।
২. বংশানুক্রমিক পিয়ারদের মাধ্যমে নির্বাচিত ২০০ জন প্রতিনিধি থাকবে।
৩. বিশেষ যোগ্যতাসম্পন্ন উত্তরাধিকারসূত্রে উপাধিপ্রাপ্ত কয়েকজন পিয়ার অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
৪. ধর্মীয়, আজীবন মেয়াদি পিয়ার এবং আপিল লর্ডদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কিন্তু কমিটির সুপারিশ নিয়ে লর্ডসভা ও কমন্সসভার মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেওয়ায় এ সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয়নি।
গ. ল্যান্সডাউন পরিকল্পনা
১৯০৯ সালে ল্যান্সডাউন পরিকল্পনায় লর্ডসভার সদস্যসংখ্যা পুনর্গঠনের প্রস্তাব করা হয়। এতে বলা হয়, লর্ডসভার সদস্যসংখ্যা ৩০০ জন হওয়া উচিত।
এ পরিকল্পনা অনুযায়ী—
১০০ জন সদস্য রাজা বা রানী মনোনীত করবেন।
১০০ জন সদস্য পিয়ারদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
১২৩ জন সদস্য কমন্সসভা নির্বাচিত করবে।
অবশিষ্ট সদস্যরা বিভিন্ন গির্জার প্রতিনিধি হবেন।
১৯০৯ সালে ল্যান্সডাউন পরিকল্পনায় লর্ডসভার সদস্যসংখ্যা পুনর্গঠনের প্রস্তাব করা হয়। এতে বলা হয়, লর্ডসভার সদস্যসংখ্যা ৩০০ জন হওয়া উচিত।
এ পরিকল্পনা অনুযায়ী—
১০০ জন সদস্য রাজা বা রানী মনোনীত করবেন।
১০০ জন সদস্য পিয়ারদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন।
১২৩ জন সদস্য কমন্সসভা নির্বাচিত করবে।
অবশিষ্ট সদস্যরা বিভিন্ন গির্জার প্রতিনিধি হবেন।
ঘ. ব্রাইস কমিটির সুপারিশ
১৯১৭ সালে লর্ড ব্রাইসের সভাপতিত্বে ৩০ সদস্যবিশিষ্ট ব্রাইস কমিটি গঠিত হয়। কমিটিতে লর্ডসভা ও কমন্সসভার সমসংখ্যক প্রতিনিধি ছিলেন।
১৯১৮ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়—
লর্ডসভার সদস্যসংখ্যা হবে ৩২৭ জন।
লর্ডসভা ও কমন্সসভার যৌথ স্থায়ী কমিটি ৮১ জন সদস্য নির্বাচন করবে।
কমন্সসভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত ১৩টি নির্বাচনী সংস্থা ২৪৬ জন সদস্য নির্বাচন করবে।
সদস্যদের মেয়াদ হবে ১২ বছর।
প্রতি চার বছর পর এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর গ্রহণ করবেন এবং তাঁদের স্থলে নতুন সদস্য নির্বাচিত হবেন।
এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশোধিত লর্ডসভা কমন্সসভার সমক্ষমতাসম্পন্ন হবে না। লর্ডসভার কাজ হবে—
১. জাতীয় মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত করার জন্য প্রয়োজনে বিলের অগ্রগতি কিছু সময়ের জন্য বিলম্বিত করা।
২. কমন্সসভা কর্তৃক প্রেরিত বিল পরীক্ষা ও প্রয়োজনে সংশোধন করা।
৩. তুলনামূলকভাবে অবিতর্কিত বিল উত্থাপন করা।
৪. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়ে স্বাধীনভাবে আলোচনা করা।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঐকমত্যের অভাবে ব্রাইস কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি।
১৯১৭ সালে লর্ড ব্রাইসের সভাপতিত্বে ৩০ সদস্যবিশিষ্ট ব্রাইস কমিটি গঠিত হয়। কমিটিতে লর্ডসভা ও কমন্সসভার সমসংখ্যক প্রতিনিধি ছিলেন।
১৯১৮ সালে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়—
লর্ডসভার সদস্যসংখ্যা হবে ৩২৭ জন।
লর্ডসভা ও কমন্সসভার যৌথ স্থায়ী কমিটি ৮১ জন সদস্য নির্বাচন করবে।
কমন্সসভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত ১৩টি নির্বাচনী সংস্থা ২৪৬ জন সদস্য নির্বাচন করবে।
সদস্যদের মেয়াদ হবে ১২ বছর।
প্রতি চার বছর পর এক-তৃতীয়াংশ সদস্য অবসর গ্রহণ করবেন এবং তাঁদের স্থলে নতুন সদস্য নির্বাচিত হবেন।
এছাড়া প্রতিবেদনে বলা হয়, সংশোধিত লর্ডসভা কমন্সসভার সমক্ষমতাসম্পন্ন হবে না। লর্ডসভার কাজ হবে—
১. জাতীয় মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত করার জন্য প্রয়োজনে বিলের অগ্রগতি কিছু সময়ের জন্য বিলম্বিত করা।
২. কমন্সসভা কর্তৃক প্রেরিত বিল পরীক্ষা ও প্রয়োজনে সংশোধন করা।
৩. তুলনামূলকভাবে অবিতর্কিত বিল উত্থাপন করা।
৪. গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় বিষয়ে স্বাধীনভাবে আলোচনা করা।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঐকমত্যের অভাবে ব্রাইস কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়িত হয়নি।
ঙ. লর্ড ক্লারেনডন ও লর্ড সলসবেরির প্রস্তাব
১৯২৮ সালে লর্ড ক্লারেনডন লর্ডসভার সংস্কারের জন্য একটি প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, লর্ডসভার সদস্যসংখ্যা হবে ৩০০ জন। এর মধ্যে—
১৫০ জন সদস্য লর্ডদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।
অবশিষ্ট ১৫০ জন সদস্য কমন্সসভার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শক্তির আনুপাতিক হারে নির্বাচিত হবেন।
রানী কয়েকজন আজীবন পিয়ার মনোনীত করতে পারবেন।
কিন্তু এ প্রস্তাব গৃহীত হয়নি।
পরবর্তীতে ১৯৩২ সালে রক্ষণশীল দল ৩২০ সদস্যবিশিষ্ট লর্ডসভা গঠনের প্রস্তাব করে। ১৯৩৩ সালে লর্ড সলসবেরিও লর্ড ক্লারেনডনের অনুরূপ একটি প্রস্তাব দেন। কিন্তু কোনো প্রস্তাবই বাস্তবায়িত হয়নি।
১৯২৮ সালে লর্ড ক্লারেনডন লর্ডসভার সংস্কারের জন্য একটি প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, লর্ডসভার সদস্যসংখ্যা হবে ৩০০ জন। এর মধ্যে—
১৫০ জন সদস্য লর্ডদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।
অবশিষ্ট ১৫০ জন সদস্য কমন্সসভার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শক্তির আনুপাতিক হারে নির্বাচিত হবেন।
রানী কয়েকজন আজীবন পিয়ার মনোনীত করতে পারবেন।
কিন্তু এ প্রস্তাব গৃহীত হয়নি।
পরবর্তীতে ১৯৩২ সালে রক্ষণশীল দল ৩২০ সদস্যবিশিষ্ট লর্ডসভা গঠনের প্রস্তাব করে। ১৯৩৩ সালে লর্ড সলসবেরিও লর্ড ক্লারেনডনের অনুরূপ একটি প্রস্তাব দেন। কিন্তু কোনো প্রস্তাবই বাস্তবায়িত হয়নি।
চ. শ্রমিক দলের প্রস্তাব
১৯৪৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে শ্রমিক দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং লর্ডসভার সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
১৯৪৭ সালে একটি বিল উত্থাপন করা হয় এবং ১৯৪৮ সালে কমন্সসভা ও লর্ডসভার গঠন ও কার্যাবলি সংশোধনের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব পেশ করা হয়।
পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে লর্ডসভার ক্ষমতা হ্রাস এবং শতাব্দীপ্রাচীন বিশেষ সুবিধার অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এরপর ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে শ্রমিক-নিয়ন্ত্রিত কমন্সসভার সঙ্গে লর্ডসভার বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। তখন উভয় কক্ষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে ৪০০ জন নতুন পিয়ার নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়।
১৯৭৭ সালে শ্রমিক দলের সম্মেলনে উত্তরাধিকারসূত্রে লর্ড উপাধিপ্রাপ্তদের বিশেষ অধিকার সীমিত করা এবং আজীবন পিয়ার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব গৃহীত হয়।
অবশেষে ১৯৭৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে শ্রমিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে লর্ডসভার বিলুপ্তির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে।
অন্যদিকে, রক্ষণশীল দল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের আদলে একটি নতুন দ্বিতীয় কক্ষ গঠনের প্রস্তাব দেয়। তবে ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে রক্ষণশীল বা শ্রমিক—কোনো দলই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
১৯৪৫ সালের সাধারণ নির্বাচনে শ্রমিক দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং লর্ডসভার সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
১৯৪৭ সালে একটি বিল উত্থাপন করা হয় এবং ১৯৪৮ সালে কমন্সসভা ও লর্ডসভার গঠন ও কার্যাবলি সংশোধনের লক্ষ্যে একটি প্রস্তাব পেশ করা হয়।
পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে লর্ডসভার ক্ষমতা হ্রাস এবং শতাব্দীপ্রাচীন বিশেষ সুবিধার অবসান ঘটানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
এরপর ১৯৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে শ্রমিক-নিয়ন্ত্রিত কমন্সসভার সঙ্গে লর্ডসভার বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। তখন উভয় কক্ষের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার উদ্দেশ্যে ৪০০ জন নতুন পিয়ার নিয়োগের প্রস্তাব করা হয়।
১৯৭৭ সালে শ্রমিক দলের সম্মেলনে উত্তরাধিকারসূত্রে লর্ড উপাধিপ্রাপ্তদের বিশেষ অধিকার সীমিত করা এবং আজীবন পিয়ার পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার প্রস্তাব গৃহীত হয়।
অবশেষে ১৯৭৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে শ্রমিক দল তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে লর্ডসভার বিলুপ্তির বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে।
অন্যদিকে, রক্ষণশীল দল যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের আদলে একটি নতুন দ্বিতীয় কক্ষ গঠনের প্রস্তাব দেয়। তবে ১৯৮০-এর দশকের শুরুতে রক্ষণশীল বা শ্রমিক—কোনো দলই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
উপসংহার: উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, লর্ডসভা সংস্কারের লক্ষ্যে এ পর্যন্ত গৃহীত কোনো সুপারিশ, প্রস্তাব বা উদ্যোগই সফল হয়নি। এমনকি অদূর ভবিষ্যতে এ ধরনের সংস্কার বাস্তবায়িত হবে—এমন নিশ্চয়তাও নেই। কারণ, এ প্রতিষ্ঠানের গঠন পরিবর্তনের বিষয়ে জনগণের তেমন আগ্রহ দেখা যায় না। এটি মূলত সমাজের একটি ক্ষুদ্র অংশের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করে।
A. J. Beattie বলেছেন—
“লর্ডসভার গঠন সামাজিক দিক থেকে অপ্রতিনিধিত্বমূলক এবং অতিমাত্রায় রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটায়। কিন্তু সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে ঐকমত্য সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। এর একটি কারণ হলো, লর্ডসভাকে যতটা দলীয় বলে মনে করা হয়, বাস্তবে তা ততটা দলীয় নয়।”
সূত্র: A. J. Beattie, Encyclopaedia Americana.
A. J. Beattie বলেছেন—
“লর্ডসভার গঠন সামাজিক দিক থেকে অপ্রতিনিধিত্বমূলক এবং অতিমাত্রায় রক্ষণশীল দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন ঘটায়। কিন্তু সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো বিকল্প ব্যবস্থা সম্পর্কে ঐকমত্য সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। এর একটি কারণ হলো, লর্ডসভাকে যতটা দলীয় বলে মনে করা হয়, বাস্তবে তা ততটা দলীয় নয়।”
সূত্র: A. J. Beattie, Encyclopaedia Americana.

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন